কলকাতা হাইকোর্টে মঙ্গলবার এসআইআর সংক্রান্ত স্বতঃপ্রণোদিত মামলার শুনানি হয়। মামলায় প্রধান বিচারপতির পক্ষ থেকে স্ট্যাটাস রিপোর্টে জানতে চাওয়া হয়, এই ধরনের মামলার নিষ্পত্তিতে কতটা সময় লাগতে পারে। হাইকোর্টের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে যে সমস্ত কেস রয়েছে তা শেষ করতে ২৫০ জন বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তাকে প্রায় ৮০ দিন কাজ করতে হবে। অর্থাৎ, যদি ৪ দিনে কাজ শেষ করতে হয়, তাহলে সংখ্যা বাড়ানো ছাড়া তা সম্ভব নয়।এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্ট দ্রুত পদক্ষেপ নেন। বিচারপতি সূর্যকান্ত মিশ্র, জয়মাল্য বাগচি ও বিপুল পাঞ্চালির ডিভিশন বেঞ্চ কলকাতা হাইকোর্টের হিসাব গ্রহণ করে। আদালত নির্দেশ দেন যে, রাজ্যের সিনিয়র এবং জুনিয়র ডিভিশনের অভিজ্ঞ বিচারকরা এসআইআর কেস নিষ্পত্তির দায়িত্বে নিয়োজিত হতে পারবেন। প্রয়োজনে ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশার অবসরপ্রাপ্ত বিচারককেও কাজে লাগানো যাবে। অন্য রাজ্য থেকে বিচারপতি বা কর্মকর্তা আনার ক্ষেত্রে ব্যয়ভার নির্বাচন কমিশনকে বহন করতে হবে।সুপ্রিম কোর্ট আরও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, কমিশন নিজের মতো সার্কুলার বা নির্দেশ জারি করতে পারবে না। সমস্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিচারপতি বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে হবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জমা দেওয়া নথিপত্র প্রিসাইডিং অফিসার যাচাই করবেন এবং প্রমাণ হিসেবে মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড, সার্টিফিকেট ও আধার কার্ড গ্রহণযোগ্য হবে। তবে ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে মিল না থাকা কেস, যেখানে বয়সের পার্থক্য ১৫ বছরের কম বা ৫০ বছরের বেশি, তা বিশেষ নজরে রাখা হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে। পরে প্রকাশিত সাপ্লিমেন্টারি তালিকাও বৈধ ভোটার তালিকা হিসেবে গণ্য হবে।
এসআইআর মামলায় সময়সীমা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা হাইকোর্টের: ৭০ লক্ষ নথি খতিয়ে দেখতে লাগবে ৮০ দিন!
Popular Categories


