এসআইআর-এর নোটিশের আতঙ্কে মৃত্যু হল এক পরিযায়ী শ্রমিকের। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর-১ ব্লকের ভগবানপুর গ্রামের বাসিন্দা সাবির হোসেন বেপারি মুম্বাইয়ে কর্মসূত্রে থাকতেন। সেখানে তিনি একটি জরির কারখানা চালাতেন। ওই কারখানার উপরেই তাঁর পরিবার এবং আরও ৭–৮ জন শ্রমিকের রুজি-রুটি নির্ভর করত। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক দিন আগে সাবির হোসেন বেপারি ও তাঁর স্ত্রী সালমা বিবির নামে বাড়িতে এসআইআর-এর নোটিশ আসে। তাঁদের দুটি ছোট সন্তান রয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পর থেকেই সাবির গভীর চিন্তায় ভুগছিলেন। ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।
রবিবার সকালে মুম্বাইয়ে হঠাৎই সাবিরের বুকে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। দ্রুত তাঁকে লোকমান্য তিলক মিউনিসিপাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। এই খবর গ্রামে পৌঁছতেই পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। রবিবার রাতেই বিমানে করে সাবিরের দেহ গ্রামে ফিরিয়ে আনা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার অভিযোগ করেন, এসআইআর-এর নামে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো হচ্ছে। গোটা ঘটনায় এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।


