রাজ্যে চলতে থাকা এসআইআর প্রক্রিয়াকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে মতুয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ মানুষকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। এদের বড় অংশ উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ মহকুমা, নদিয়া এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দাবি, নথিপত্রে কিছু অসঙ্গতি এবং ঠিকানার তথ্য মানচিত্রে স্পষ্টভাবে না মেলার কারণেই এই বিপুল সংখ্যক মানুষকে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছে।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই নাগরিকত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজ্যে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইন, ২০১৯ বা সিএএ-র আওতায় জমা পড়া আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে একটি দ্বিতীয় ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটি গঠন করা হবে। উদ্দেশ্য,বাকি থাকা আবেদনগুলির দ্রুত পর্যালোচনা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া।এদিকে নির্বাচন কমিশনের তরফে প্রায় তিন লক্ষ নাম পুনরায় খতিয়ে দেখার জন্য আলাদা তালিকায় তোলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। অন্য একটি পরিসংখ্যান বলছে, রাজ্যে এখনও প্রায় পঞ্চাশ হাজার সিএএ আবেদন বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে।মতুয়া সমাজের প্রতিনিধিরাও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন। মমতা বালা ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘ-এর সম্পাদক সুকেশ চৌধুরি বলেন, শুধু কমিটি গঠন করলেই সমস্যার চলতে থাকা এসআইআর প্রক্রিয়াকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে মতুয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ মানুষকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। এদের বড় অংশ উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ মহকুমা, নদিয়া এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দাবি, নথিপত্রে কিছু অসঙ্গতি এবং ঠিকানার তথ্য মানচিত্রে স্পষ্টভাবে না মেলার কারণেই এই বিপুল সংখ্যক মানুষকে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছে।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই নাগরিকত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজ্যে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইন, ২০১৯ বা সিএএ-র আওতায় জমা পড়া আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে একটি দ্বিতীয় ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটি গঠন করা হবে। উদ্দেশ্য,বাকি থাকা আবেদনগুলির দ্রুত পর্যালোচনা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া।এদিকে নির্বাচন কমিশনের তরফে প্রায় তিন লক্ষ নাম পুনরায় খতিয়ে দেখার জন্য আলাদা তালিকায় তোলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। অন্য একটি পরিসংখ্যান বলছে, রাজ্যে এখনও প্রায় পঞ্চাশ হাজার সিএএ আবেদন বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে।মতুয়া সমাজের প্রতিনিধিরাও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন। মমতা বালা ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘ-এর সম্পাদক সুকেশ চৌধুরি বলেন, শুধু কমিটি গঠন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। তার দাবি, আবেদনকারীদের নিঃশর্তভাবে নাগরিকত্ব না দিলে বাস্তবে তারা সুবিধা পাবেন না।তিনি আরও উল্লেখ করেন, অসমে এনআরসি প্রক্রিয়ার সময় বৈধ ভারতীয় নথির ভিত্তিতে তুলনামূলক সহজ উপায়ে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়গুলি মেটানো হয়েছিল। তার মতে, একই রকম সরল পদ্ধতি অনুসরণ করলে মতুয়া সম্প্রদায়ের বহু মানুষের সমস্যার সমাধান হতে পারে। কারণ বহু বছর আগে বাংলাদেশ থেকে এ দেশে আসা অনেক পরিবারের কাছেই আজ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই। ফলে তারা এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে।সমাধান হবে না। তার দাবি, আবেদনকারীদের নিঃশর্তভাবে নাগরিকত্ব না দিলে বাস্তবে তারা সুবিধা পাবেন না।তিনি আরও উল্লেখ করেন, অসমে এনআরসি প্রক্রিয়ার সময় বৈধ ভারতীয় নথির ভিত্তিতে তুলনামূলক সহজ উপায়ে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়গুলি মেটানো হয়েছিল। তার মতে, একই রকম সরল পদ্ধতি অনুসরণ করলে মতুয়া সম্প্রদায়ের বহু মানুষের সমস্যার সমাধান হতে পারে। কারণ বহু বছর আগে বাংলাদেশ থেকে এ দেশে আসা অনেক পরিবারের কাছেই আজ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই। ফলে তারা এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
সাড়ে ৫ লক্ষ মতুয়াকে শুনানির নোটিস, কেন্দ্রের গঠিত নতুন কমিটি নিয়ে বাড়ছে জল্পনা!
Popular Categories


