যৌন হেনস্থার মামলায় পাটনা হাইকোর্টের একটি বিতর্কিত রায় বদলে দিল দেশের শীর্ষ আদালত। হাইকোর্টের দাবি ছিল, কোনো নারীর সালোয়ার খোলা বা স্তন স্পর্শ করা কেবল ‘শ্লীলতাহানি’, একে ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ বলা যায় না। এই দুই অপরাধের সাজার ফারাক টেনে ২০০৮ সালের এক মামলার আসামিকে বেকসুর খালাস দেয় উচ্চ আদালত।
ঘটনাটি ঘটেছিল বিহারের বাঁকা জেলায়। ছবি তুলতে যাওয়া এক তরুণীকে ঘরে আটকে রেখে সালোয়ার খোলা ও স্তনে হাত দেওয়ার অভিযোগে স্টুডিও মালিককে ৩ বছরের সাজা দিয়েছিল নিম্ন আদালত। কিন্তু হাইকোর্ট সেই রায় বাতিল করে বলে, ধর্ষণের স্পষ্ট উদ্দেশ্য ছাড়া একে ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ মানা যাবে না।
এই খবর নজরে আসতেই স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ নেয় সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি ভি মোহনার ডিভিশন বেঞ্চ হাইকোর্টের রায় খারিজ করে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে। শীর্ষ আদালত কড়া ভাষায় জানায়, “সঠিক আইনি পড়াশোনা ও পর্যবেক্ষণ ছাড়াই এই রায় দেওয়া হয়েছে।” বিচারপতি মোহনা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আজকাল এমন বিতর্কিত রায় আকছার দেখা যাচ্ছে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।


