সোমবার ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের অস্ট্রেলিয়া সফর ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল সিডনি শহর। দিনভর শহরের বিভিন্ন প্রান্তে উত্তেজনা ও বিক্ষোভের জেরে স্বাভাবিক জনজীবন প্রায় থমকে যায়। তার উপস্থিতির বিরোধিতায় সিডনি টাউন হলের সামনে জড়ো হন হাজার হাজার মানুষ।
ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠনগুলির ডাকে এই সমাবেশে অংশ নেন বহু সাধারণ নাগরিক। তাদের অভিযোগ, গাজায় চলা সামরিক অভিযানে অসংখ্য নিরীহ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে, আর সেই ঘটনার জন্য হারজগকে দায়ী করা উচিত। বিক্ষোভকারীরা তাকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ বলে আখ্যা দিয়ে গ্রেফতারের দাবিও তোলেন। হাতে প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ও স্লোগানে সরব হয়ে ওঠে এলাকা।
বিকেলের পর পরিস্থিতি ক্রমশ অশান্ত হয়ে ওঠে। মিছিল এগোতে গেলে পুলিশ বাধা দেয় এবং রাস্তায় ব্যারিকেড বসানো হয়। অভিযোগ, কিছু বিক্ষোভকারী সেই ব্যারিকেড সরানোর চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং ভিড় ছত্রভঙ্গ করে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে বিক্ষোভকারীদের দাবি, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অযথা কঠোরতা দেখানো হয়েছে। রাতভর শহরের আকাশে পুলিশি হেলিকপ্টার ও ড্রোন টহল দিতে দেখা যায়, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে। ফিলিস্তিন অ্যাকশন গ্রুপ পুলিশের পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, মানুষের মতপ্রকাশের অধিকার দমন করা হয়েছে।


