তেলেঙ্গানার রঙ্গা রেড্ডি জেলায় এক রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের মামলায় জামিন পেয়েই রাজকুমার নামের এক ব্যক্তি তার নিজের পরিবার এবং অভিযোগকারী কিশোরীর পরিবারকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই নৃশংস ঘটনায় মোট ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর রাজকুমার প্রথমে শাবাদ এলাকায় নিজের বাড়িতে যায়। সেখানে সে তার স্ত্রী পার্বতী সারিথা (৩০) এবং তার চার বছর ও দেড় বছরের দুই সন্তানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করে। এই নির্মম কাণ্ড ঘটানোর পর সে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে অন্য একটি গ্রামে পৌঁছায়। সেখানে গিয়ে ১৭ বছরের সেই কিশোরী, তার মা এবং দিদিমাকে হত্যা করে। জানা গেছে, গত ১৬ মে ওই কিশোরী রাজকুমারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিল, যার জেরে তাকে গ্রেপ্তার হতে হয়।
ছয়জনকে খুন করার পর অভিযুক্ত রাজকুমার তার বাবাকে ফোনে পুরো বিষয়টি জানায়। এরপর থেকেই সে গা-ঢাকা দিয়েছে।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই নমুনা সংগ্রহ করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং পলাতক রাজকুমারকে ধরার জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। জামিনের রাগের বসেই এই প্রতিশোধ কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।


