
শুধু একজন মনোজিৎ মিশ্র নয়, তার মত একাধিক ছাত্র নেতা ছড়িয়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সরকারি কলেজ জুড়ে। অভিযোগ উঠছে, এক দাপুটে ছাত্রনেতার দাদাগিরিতে তটস্থ বারাসত কলেজ। জানা যাচ্ছে এই ছাত্র নেতা, বারাসাতের আরিফবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। ২০১২ সালে বারাসাত কলেজ থেকে পাশ করেন এই ছাত্র নেতা।
ছাত্র নেতার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে উঠে আসছে। কলেজে ভর্তির সময় ছাত্রদের থেকে টাকা তোলা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন রুমের ভেতরে দিনের পর দিন মধ্য পান সবই চলত বারাসাত কলেজের তৃণমূল এই ছাত্রনেতার তত্ত্বাবধানে। বারাসত থানায় ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা সত্ত্বেও পুলিশের পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। উপরন্ত ২০২৪ সালের শেষের দিকে বারাসাত কলেজের গভর্নিং বডির অনুমোদনে , ওই কলেজে চাকরি পান প্রভাবশালী এই তৃণমূল ছাত্র নেতা।

ঘটনা প্রসঙ্গে বিরোধী দলগুলির তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে শাসকশিবির কে। আরজিকর ধর্ষণকাণ্ড থেকে শুর করে কসবার ধর্ষণ কান্ড সবেতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে যোগ পাওয়া যাচ্ছে তৃণমূল সরকারের। বারাসাতে কেন এহেন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত কেন পদক্ষেপ নেওয়া হলো না তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। তবে কি বাংলার আরও একটি মহিলা নির্যাতনের অপেক্ষায় দিনগুনছে পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসন?


