উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদ জেলার খানপুর গ্রামের এক পরিবার পুলিশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছে। অভিযোগ, ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে পুলিশের একটি দল হঠাৎ তাদের ঘরে ঢুকে আল্লা মেহের কুরেশি আলিয়াস মাজিদকে গো – হত্যার সন্দেহে তুলে নিয়ে যায়। পরিবারের দাবি, পুলিশ কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই তাকে ধরে নিয়ে যায় এবং ঘরের সিসিটিভির ডিভিআরও নিয়ে যায়। মাজিদের বোন আজমিন জানান, “আমার ভাই ঘুমাচ্ছিল। হঠাৎ পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে। প্রথমেই তারা সিসিটিভির ডিভিআর খুলে নিয়ে যায়। এরপর আমার ভাইকে বলপূর্বক টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যায়।” তিনি আরও বলেন, “আমরা বাধা দিলে আমাদের সঙ্গে অশালীন ব্যবহার করা হয়, এমনকি পরণের কাপড় ছিঁড়ে ফেলা হয়।”
পরিবারের দাবি, পুলিশ হুমকি দেয় মাজিদকে ‘হাফ এনকাউন্টার’ করা হবে অর্থাৎ গুলি করে পা ভেঙে দেওয়া হবে। মাজিদের মা সায়রা বলেন, “আমি অনেক অনুরোধ করেছি, কিন্তু তারা কিছু শুনল না। উল্টো আমাদের গালাগালি করে চলে গেল।” প্রতিবেশী রুকসানা জানান, “আমি দেখেছি, পুলিশ ঘরে ঢুকে মারধর করছে, মহিলাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছে। প্রতিবাদ করলে পুলিশ ইট-পাটকেলও ছুড়েছে।”
পরিবার আরও জানান, পুলিশ আগেও তাদের নজরে রেখেছিল। এবার এসে শুধু মাজিদকেই নয়, তার স্ত্রী ও আশপাশের আরও ৮ জনকে ধরে নিয়ে গেছে।এ ঘটনায় এখনও কোনো এফআইআর হয়নি। পুলিশ বলেছে, মাজিদ পলাতক ছিল তাই তাকে ধরা হয়েছে। তবে পরিবারের অভিযোগ, আইন না মেনে পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করেছে।অন্যদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, এ ধরনের ঘটনা সংখ্যালঘুদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করছে।


