
সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা—ফরদো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহানে বিমান হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই হামলাকে “বিপজ্জনক উত্তেজনা” আখ্যা দিয়ে বলেছেন, এটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তিনি সবাইকে শান্তি ও কূটনীতির পথে ফিরে আসতে বলেছেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি হামলার নিন্দা করে এটিকে “উদ্ধত” বলেছেন এবং কঠিন পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি আগেই সতর্ক করে বলেছিলেন, এমন হামলা “অপূরণীয় ক্ষতি” ডেকে আনবে। ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, এখন থেকে অঞ্চলের সব মার্কিন নাগরিক ও সেনা তাদের লক্ষ্য হবে।
লাতিন আমেরিকার দেশগুলো, যেমন ভেনেজুয়েলা ও কিউবা, এটিকে “সামরিক আগ্রাসন” বলে সমালোচনা করেছে। নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স এটিকে “গুরুতর উত্তেজনা” বলেছেন। চীন ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের সঙ্গে তুলনা করে কূটনীতির আহ্বান জানিয়েছে। ভারতও শান্তির পক্ষে কথা বলেছে। তবে ইসরায়েলের প্র Dhানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই হামলাকে “সাহসী” বলে সমর্থন করেছেন।
বিশ্বনেতারা শান্তির আহ্বান জানালেও ইরানের প্রতিশোধের আশঙ্কায় উত্তেজনা বাড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে বলে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন।


