পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথগ্রহণ ঘিরে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল। বিধানসভা সচিবালয় থেকে জারি করা এক জরুরি বার্তায় রাজ্যের সব জেলার জেলা শাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। সেই বার্তায় জানানো হয়েছে, সদ্য নির্বাচিত বিধায়কদের শপথ বা অঙ্গীকার গ্রহণ নির্দিষ্ট দিন ও সময়ে কলকাতার বিধানসভা ভবনে অনুষ্ঠিত হবে।সচিবালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, ১৩ মে বুধবার সকাল ১১টা থেকে শুরু হয়ে প্রথম দফার শপথগ্রহণ চলবে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে নির্বাচিত বিধায়কদের শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা এবং মুর্শিদাবাদ জেলার প্রতিনিধিরা এই পর্বে অংশ নেবেন। পাশাপাশি নদিয়া ও উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বেশ কিছু আসনের বিধায়করাও ওই সময়ের মধ্যে শপথ নেবেন।পরের দিন, অর্থাৎ ১৪ মে বৃহস্পতিবার, বাকি বিধায়কদের শপথগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলার বিধায়কদের শপথ নেওয়ার সময় নির্ধারিত হয়েছে। এরপর দুপুর ২টো থেকে বিকেল সাড়ে ৪টে পর্যন্ত পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার নির্বাচিত সদস্যরা শপথ নেবেন।বিধানসভা সচিবালয়ের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রত্যেক বিধায়ককে শপথের সময় নিজের নির্বাচনী শংসাপত্রের মূল কপি সঙ্গে আনতে হবে। এছাড়া পরিচয়পত্র তৈরির জন্য চার কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি নিয়ে আসার কথাও বলা হয়েছে। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রতিটি বিধায়কের সঙ্গে সর্বোচ্চ দুইজন সঙ্গীকে বিধানসভা প্রাঙ্গণে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।জেলা শাসকদের আরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রত্যেক বিধায়কের জন্য অস্থায়ী পরিচয়পত্র এবং তাঁদের সঙ্গে আসা দু’জন অতিথির জন্য পৃথক পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়। এর ফলে বিধানসভায় প্রবেশের সময় কোনো সমস্যা না হয় এবং পুরো প্রক্রিয়াটি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায়।এই নির্দেশকে অত্যন্ত জরুরি বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
১৩ ও ১৪ মে বিধানসভায় শপথ নেবেন নবনির্বাচিত বিধায়করা, নির্দেশিকা জারি করল বিধানসভা সচিবালয়
Popular Categories


