পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশা গভীরভাবে প্রভাব ফেলছে আগামী প্রজন্মদের জীবনে। গ্রাম, মফস্বল সহ শহরের বেশ কিছু সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলিতে শিক্ষার্থীর অভাবে বন্ধ পঠন-পাঠন। শুধু তাই নয়, মূলত সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে পড়ুয়াদের স্কুল না যাওয়ার একটা প্রবণতা দেখা দিচ্ছে। যার ফলে পশ্চিমবঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে একটা গোটা প্রয়োজন। এ প্রসঙ্গে শিক্ষাবিদরা অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
২০১৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায়, শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত গাফিলতি এবং দুর্নীতি স্পষ্ট লক্ষ্য করা গেছে। এই দুর্নীতির মূল অভিযুক্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকার নিজেই, এমনটাই মনে পড়ছে বিরোধী রাজনৈতিক দল সহ অধিকাংশ চাকরিহারা শিক্ষকরা। যোগ্য এবং অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের পৃথকীকরণ করতে না পারার কারণে কোর্টের নির্দেশে চাকরি খুইয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা।

রাজ্যের এমন ভয়াবহ সংকটজনক পরিস্থিতিতে উদাসীন রাজ্যের বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। একটি ছবির শুটিং চলাকালীন ফুরফুরে মেজাজে সমুদ্র সৈকতে, অভিনয় জগতের সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে তাকে। এই ছবিটি সমাজ মাধ্যমে প্রকাশ পাওয়া মাত্রই রাজ্যবাসীদের একাংশের কাছে নিন্দার পাত্র হতে হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে।
কোন রাজ্য, দেশ, বা জাতির অগ্রগতির জন্য শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বলা হয়, শিক্ষাই একটি সমাজের মেরুদন্ড গড়ে তোলে। তাই যেকোনো উন্নততর, স্বাধীন মনস্ক সমাজকে গোড়া থেকে উচ্ছেদ করার জন্য, ওই সমাজের শিক্ষা ব্যবস্থায় আঘাত আনে রাষ্ট্র।


