নতুন বছরে, নতুন উদ্যোগে শপথ গ্রহণ করলেন মামদানী। বছরের প্রথম দিনে নিউইয়র্কের মেয়র পদে শপথ নিলেন জেহরান মামদানি। নিউইয়র্কের আপামর জনতা তাকে নির্বাচন করে বিশ্বকে বুঝিয়ে দিলেন, দলনেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে বর্ণ কিংবা ধর্ম নয়, প্রয়োজন দক্ষ জনসেবককে বেছে নেওয়া।
গত বছরের ৪ঠা নভেম্বর, দুইজন হেভি ওয়েট প্রার্থীকে হারিয়ে নিউইয়র্ক শহরের মেয়র নির্বাচন হন, মাত্র ৩৪ বছর বয়সী জেহরান মামদানি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মামদানির সাফল্য নিঃসন্দেহে একটা ঐতিহাসিক জয় হয়ে থেকে যাবে। আজ মেয়র হিসেবে শপথ নেওয়ার পর গত ১০০ বছরে নিউইয়র্ক শহরে সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হিসেবে বিবেচিত হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই যুবক।
আজ গোটা বিশ্বে যখন ইসলাম বিদ্বেষী কার্যকলাপে মুখর একদল মানুষ, ঠিক তখন মামদানিসহ পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা কিছু শিক্ষিত যুবক-যুবতীরা নেতৃত্ব দিচ্ছে গোটা জাতিকে। ট্রাম্পের মুসলিম বিদ্বেষী মনোভাব হোক কিংবা নরেন্দ্র মোদির হিন্দু রাষ্ট্রের অঙ্গীকার, ফিলিস্তিনিদের উপর বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু-র নৃশংস পৈশাচিক গণহত্যা হোক কিংবা গোটা বিশ্বের দরবারে ইরানকে কোণঠাসা করে দেওয়ার মরিয়া প্রচেষ্টা…। গোটা বিশ্বব্যাপি ইসলামের উপর নেমে আসা আঘাতকে প্রতিহত করতে মরিয়া জেহরান মামদানির মতো মানুষরা।
জানা যাচ্ছে, নির্বাচনে জয় লাভের পর গত দুমাস ধরে দলের সাংগঠনিক পরিকাঠামো শক্ত করতে আপ্রাণ পরিশ্রম করেছেন মামদানি। মহিলাদের দিয়েছেন অগ্রাধিকার। তার দলের শীর্ষ পদগুলিতে রয়েছেন মহিলারা। নিউইয়র্ক ও নিউইয়র্কের সাধারণ মানুষদের পরিষেবা দিতে জেহরান মামদানি কতটা সফল হবেন, তা দেখতে উদগ্রীব গোটা বিশ্ব।


