রামনবমী উপলক্ষে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শোভাযাত্রা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের তরফে স্পষ্ট নির্দেশ ছিল, মিছিলে কোনও ধরনের অস্ত্র বহন করা যাবে না। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ উঠেছে একাধিক ক্ষেত্রে, যার ফলে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
রাজারহাট-নিউটাউনের একটি শোভাযাত্রায় এক যুবককে হাতে অস্ত্র নিয়ে দেখা যায়। পুলিশ আগেভাগেই বিষয়টি লক্ষ্য করে তাকে আটকানোর চেষ্টা করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপস্থিত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে অবশ্য পুলিশি হস্তক্ষেপে ওই যুবককে অস্ত্র নামাতে বাধ্য করা হয় এবং তার পরেই মিছিল এগোয়।
এই শোভাযাত্রায় বিজেপির প্রার্থী পীযূষ কানোরিয়াও উপস্থিত ছিলেন। নিউটাউনের হনুমান মন্দির থেকে দমদম পর্যন্ত দীর্ঘ পথ জুড়ে মিছিলটি হয়। একই দিনে বীরভূমের সিউড়িতেও একই ধরনের ছবি সামনে আসে। সেখানে রামনবমী কমিটির সদস্যদের অনেককেই বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নিতে দেখা যায়। সেই মিছিলে বিজেপির প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ও ছিলেন বলে জানা গেছে।
এদিকে, এই পরিস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য ঘিরেও চর্চা শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, রাজ্যে শাসন পরিবর্তনের সময় এসে গিয়েছে এবং ভবিষ্যতে নতুন পরিস্থিতি তৈরি হবে। তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের প্রতি কড়া সুর লক্ষ্য করা যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের ঘটনা ঘটায় প্রশাসনের কড়া নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালনের বার্তা দেওয়া হলেও বাস্তবে তার ব্যত্যয় ঘটায় উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।


