প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুকুল রায়ের মৃত্যু পরবর্তী সময়েও রাজ্য রাজনীতিতে তাঁর পরিবারকে ঘিরে আলোচনা থামেনি। অসুস্থতার সময়ে তাঁকে নিয়ে নানা রাজনৈতিক মন্তব্য শোনা গেলেও, তাঁর ছেলে শুভ্রাংশু রায় পরে জানান, বাবার খোঁজখবর নিতে এগিয়ে এসেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস-এর নেতারাই। তিনি আরও বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যক্তিগতভাবেও তাঁর বাবার খোঁজ নিয়েছিলেন।
তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন সামনে আসতেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় শুভ্রাংশু রায়ের নাম না থাকায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আগে শোনা গিয়েছিল, বীজপুর কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই কেন্দ্রে বর্তমান বিধায়ক সুবোধ অধিকারীকেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
শুভ্রাংশু দাবি করেছেন, তাঁকে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে লড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা মানেননি। তাঁর মতে, নিজের পরিচিত এলাকার বাইরে থেকে ভোটে দাঁড়াতে তিনি রাজি নন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, বীজপুর বা কাছাকাছি কোনও কেন্দ্র থেকেই সুযোগ চান তিনি। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “আমি মুকুল রায় নই যে যেখান থেকে খুশি প্রার্থী হব। আমি দলকে জানিয়েছিলাম, বীজপুর বা আশেপাশের কোনও কেন্দ্র থেকে আমাকে প্রার্থী করা হোক।”
তবে দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েই তিনি কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন। নির্ধারিত প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারেও অংশ নিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কাঁচরাপাড়া পুরসভার উপ-পুরপ্রধান হিসেবে নিজের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, দায়িত্ব থাকলেও কাজের সুযোগ খুবই সীমিত, ফলে নিজের ভূমিকা কার্যকরভাবে পালন করা কঠিন হয়ে পড়ছে।


