তৃণমূল কংগ্রেসে মমতা বনাম ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় গোষ্ঠীর লড়াই এবার নির্বাচন কমিশনে পৌঁছে গেছে। দলের ‘আসল’ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে রাতারাতি কমিশনে চিঠি পাঠালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তাতে চেয়ারপার্সন হিসেবে মমতার নাম, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম, রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, যুগ্ম সম্পাদক ডেরেক ও’ব্রায়েন ও দোলা সেন এবং কোষাধ্যক্ষ শুভাশিস চক্রবর্তীর নাম রয়েছে।
২০২৬ সালের ভোটে বড় হারের পর তৃণমূলে ভাঙন ধরে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একাংশ বিদ্রোহ করে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখিয়ে ‘আসল’ বিরোধী দল বলে দাবি করে। সোমবার নিউটাউনে হোটেলে বিশেষ বৈঠক করে নতুন জাতীয় কর্মসমিতি ঘোষণা করে তারা। সেখানে অরূপ রায়কে চেয়ারপার্সন করা হয় এবং ঋতব্রতসহ তাঁদের লোকজন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসেন। মমতা-অভিষেকের নাম কোথাও ছিল না।
কিন্তু ঋতব্রতপন্থীরা কমিশনে নথিভুক্ত করার আগেই মমতা পালটা পদক্ষেপ নেন। সোমবার রাতেই তাঁর নেতৃত্বাধীন কমিটির সব তথ্য কমিশনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এখন দুই পক্ষের দুটি আলাদা কমিটি নিয়ে কমিশনে লড়াই শুরু হয়েছে। এই বিবাদ আদালতেও যেতে পারে।


