অযোধ্যার রামমন্দিরে বড় ধরনের চুরির অভিযোগে এখন সারা দেশ তোলপাড়। ভক্তদের দানের টাকা-অলংকার লুটের ঘটনায় প্রবল চাপে পড়ে রামমন্দির কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার এফআইআর করে এবং রাতেই ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু বিরোধীরা ক্ষুব্ধ হয়ে বলছে, এরা তো শুধু চুনোপুঁটি। আসল বড় মাথারা কোথায়?
এরই মধ্যে বড় ধাক্কা এল। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের মহাসচিব ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের প্রবীণ নেতা চম্পত রাই নৈতিকতার কথা বলে পদত্যাগ করেছেন। ট্রাস্টি অনিল মিশ্রও পদত্যাগ করেন।
কংগ্রেস নতুন করে আগুন জ্বালিয়েছে। দলের মুখপাত্র রাজীব শুক্লা অভিযোগ করেছেন, রামলালার গলার হিরের হারও নাকি চুরি হয়ে গেছে! তিনি বলেন, “ছোটদের ধরে কী হবে? আসল রাঘববোয়ালদের ধরুন। রামের নামে ভোট লুটের পর এখন নোট চুরি চলছে!” কংগ্রেস সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে তদন্ত চেয়েছে।
সিটের তদন্তে উঠে এসেছে ভয়ানক কথা। প্রণামির টাকা গোনার সময় এক কর্মী সিসি ক্যামেরা আড়াল করে দাঁড়াতেন। অন্যরা সেই সুযোগে টাকা সরিয়ে ফেলতেন। বান্ডিলে বাড়তি নোট ঢুকিয়ে পরে সরিয়ে নেওয়া হত। চুরির টাকা লুকিয়ে রাখা হত মন্দিরের শৌচাগারে। পরে সুযোগ বুঝে ভাগাভাগি করা হত। উদ্ধার হয়েছে ৭৯ লক্ষ টাকা। ধৃতদের মধ্যে অনেকেই আত্মীয় এবং তাদের সম্পত্তি হঠাৎ অনেক বেড়েছে। এখন সবার নজর ট্রাস্টের উপরের লোকেদের দিকে। বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে।


