বায়ুদূষণ, কয়লার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা, বনভূমি কমে যাওয়া, জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দুর্বলতা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাই ভারতের খারাপ ফলের অন্যতম কারণ। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে ভারতের স্থান ১৭৪তম এবং বাস্তুতন্ত্রের ক্ষেত্রে ১৭১তম। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অবস্থান তুলনামূলক ভালো হলেও সেখানে ভারতের র্যাঙ্ক ১৩০।
২০২৬ সালের এনভায়রনমেন্টাল পারফরম্যান্স ইনডেক্স (EPI)-এ ১৭৭টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ১৭৬তম। অর্থাৎ শেষের আগের স্থানে রয়েছে দেশ। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল ল অ্যান্ড পলিসি প্রকাশিত এই তালিকায় ভারতের স্কোর ২২.৪৬। যেখানে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গড় স্কোর ৩১.৮১। ২১.৭৮ স্কোর নিয়ে তালিকার শেষে রয়েছে লাওস। অন্যদিকে ৭৪.৭৯ স্কোর পেয়ে শীর্ষে এস্তোনিয়া।
তবে জলমান পরীক্ষা এবং শিল্পক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ তেলঙ্গানার কিছু ইতিবাচক দিক। রিপোর্টে বলা হয়েছে, কৃষকদের কল্যাণ, বাইরের কৃষি উপকরণের ওপর নির্ভরতা এবং টেকসই জমি ব্যবহারের সমস্যাও রাজ্যের পরিবেশগত ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে।
এদিকে ‘স্টেট অব ইন্ডিয়াস এনভায়রনমেন্ট ২০২৬’ রিপোর্টেও কয়েকটি রাজ্যের পরিবেশ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ উঠে এসেছে। কৃষি ও জমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে তেলঙ্গানার ফল বিশেষভাবে খারাপ। জমির সঠিক ব্যবহার, বন রক্ষা, বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ ও দূষণ কমানো এখনও বড় চ্যালেঞ্জ।


