
আহমেদাবাদের চাঁদোলা তালাব এলাকায় মঙ্গলবার ভোর থেকে শুরু হয় এক বড়সড় অভিযান। আহমেদাবাদ মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন প্রায় ৭ হাজার ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়, যার বেশিরভাগই ছিল ওই এলাকার সংখ্যালঘু পরিবারদের।
মানবাধিকার সংগঠন ও সংখ্যালঘু সংগঠনগুলি এই কার্যক্রমের তীব্র সমালোচনা করেছে। প্রশাসনের দাবি, এই জমিতে বেআইনি ভাবে বসবাস করছিল অচিহ্নিত বাংলাদেশিরা।
২২ এপ্রিলের পাহেলগাম হামলার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৬,৫০০ সংখ্যালঘু মানুষকে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে সমাজকর্মীদের মতে, তাদের বেশিরভাগই ভারতীয় নাগরিক, যাদের আধার কার্ড ও ভোটার আইডি রয়েছে। গুজরাট হাইকোর্ট ২৯ এপ্রিল জানিয়ে দেয়, চাঁদোলা লেকের ওপর তৈরি ঘরবাড়ি বেআইনি। তার পরেই ২৮ এপ্রিল সিয়াসতনগর ও বাঙালি বাস এলাকা মিলিয়ে ৪ হাজারেরও বেশি কাঁচা ঘর ভেঙে ফেলা হয়।
অন্যদিকে সংখ্যালঘু সমন্বয় কমিটির মুখপাত্র মুজাহিদ নফিস এই ঘটনাকে অমানবিক বলে জানান। তিনি বলেন, “৪০ বছরের বেশি সময় ধরে মানুষ এখানে আছে।” জামাতে ইসলামী হিন্দ গুজরাটের ওয়াসিফ হোসেন বলেন, “এই গরমে শিশু ও বৃদ্ধদের রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের কোথাও থাকার জায়গা নেই।” এই ঘটনা জেরে ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন বহু সামাজিক কর্মীরা।


