মসজিদে শুয়োরের মাংস ছুঁড়ে মারার অভিযোগে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল। অভিযোগ, গত রবিবার আসামের গুরহাটি এলাকার এক ঈদগাহ মসজিদে, অজ্ঞাত এক ব্যক্তি শুয়োরের মাংস ছুড়ে মারে। ঘটনাটি ঘটে গভীর রাতে। পরদিন ভরে আজান পড়তে আসার সময় মসজিদের ইমাম পলিথিনে মোড়ানো শুয়োরের মাংসটিকে লক্ষ্য করেন।
পরবর্তীতে মসজিদের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। সেইখানে দেখা যায়, নীল শার্ট এবং হেলমেট পরিহিত অজ্ঞাত ব্যক্তি বাইকে করে মসজিদের সামনে এসে দাঁড়ায়। পালিয়ে যাওয়ার আগে মসজিদ প্রাঙ্গনে একটি প্লাস্টিক ছুড়ে মারে। পরদিন ভোর বেলা মসজিদে উদ্ধার হওয়া প্লাস্টিক থেকে শুয়োরের কাঁচা মাংস এবং অসমীয়া ভাষায় লেখা একটি চিরকুট উদ্ধার হয়, যাতে লেখা ছিল, “মিয়ার বাচ্চা, তুমি আমাকে গর্ভবতী করেছ। এখন তুমি শুয়োরের মাংস খাও,” এবং “প্লাবিতা দাস” নাম সহ একটি মোবাইল নম্বর স্বাক্ষরিত ছিল, যা বিতর্ককে আরও তীব্র করে তুলেছে।
পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করেছে, যার ফলে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দিসপুর পুলিশ বরপেটা থেকে মৃদুপাবন পাঠককে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনায় এলাকাবাসীদের মধ্যে চূড়ান্ত ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, যে বা যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব স্থানীয় বাসিন্দারা।


