মধ্যপ্রদেশের ভোপালে একটি পুরনো মসজিদের একাংশ ভেঙে দেওয়াকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। প্রশাসনের দাবি, প্রয়োজনীয় নথি না থাকায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদ কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, যথাযথ আলোচনা ও বিকল্প পথ না খুঁজেই দ্রুত সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট জমি ও নির্মাণ সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। তার পরেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযানের সময় এলাকায় পুলিশ মোতায়েন ছিল, যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে।
অন্যদিকে, মসজিদ কমিটির সদস্যদের বক্তব্য, মসজিদটি বহু বছর ধরে ওই এলাকায় ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। তাঁদের দাবি, প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার সুযোগ না দিয়েই ভাঙার কাজ শুরু করা হয়। এতে স্থানীয় মুসলিম সমাজের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালেও পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, আইন মেনেই পদক্ষেপ করা হয়েছে এবং কাউকে লক্ষ্য করে কোনও পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
তবে মানবাধিকার কর্মী ও বিরোধী রাজনৈতিক মহলের একাংশ এই ঘটনাকে সংবেদনশীল বিষয় হিসেবে দেখার দাবি তুলেছেন। তাঁদের মতে, ধর্মীয় স্থাপনার ক্ষেত্রে প্রশাসনের আরও সতর্ক ও সংলাপমুখী হওয়া প্রয়োজন ছিল।
ঘটনাটি ঘিরে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও নাগরিক অধিকার—এই দুইয়ের সংঘাত নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল বলে মত বিশেষজ্ঞদের।


