সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি নথি নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের নাম ও সই থাকা একটি চিঠির ছবি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে সীমান্ত দিয়ে গোমাংস পাচারে বিএসএফ-কে সুপারিশ করা হয়েছে বলে দাবি করছে বিরোধীরা। এই ঘটনাকে ঘিরে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। বিরোধীদের দাবি, ভোটের সময় হিন্দুত্ববাদের উস্কানি দিয়ে মেরুকরণের রাজনীতি করতে বিজেপি সিদ্ধহস্ত। ভারতীয় জনতা পার্টির মতো রাজনৈতিক দল, ও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ সহ গরুকে সংরক্ষণ করার দায়িত্বে থাকা বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবক সংস্থা জনসমক্ষে উগ্র হিন্দুত্ববাদকে উস্কানি দেওয়ার উদ্দেশ্যে গরুকে নিজের মাতৃসম স্থান দিয়ে থাকে। ধর্মীয় মেরুকরণ করে পর্দার আড়ালে মোটা মুনাফা অর্জনের জন্য গোমাংস পাচার! এটাই বিজেপির আসল চেহারা, দাবি বিরোধীদের।
এখন উদ্বেগের বিষয় হল, শান্তনু ঠাকুরের মতো সামান্য একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কি ভাবে বিএসএফ-কে সুপারিশ করেন? তিনি কে, যে সীমান্ত পারাপারে অনুমতি দেবেন? বিজেপি কি এভাবেই সীমান্ত চালায়? এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার বা শান্তনু ঠাকুরের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা নিয়ে উত্তেজনা চরমে।


