সিআইডির তদন্তে ফের চর্চায় বোলপুরের তৃণমূল বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহা। শুক্রবার সকালে তাঁর বাড়িতে পৌঁছয় সিআইডির একটি দল। পরপর দু’দিন তদন্তকারী সংস্থার এই উপস্থিতিকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবারও সিআইডির আধিকারিকরা সেখানে গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তেই এই পদক্ষেপ করেছে সিআইডি। ওই নির্বাচনের সময় কয়েকজন বিধায়কের জমা দেওয়া স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখতে চাইছেন, সেই স্বাক্ষরগুলি সত্যিই সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের কি না, নাকি সেখানে কোনও গরমিল রয়েছে।শুক্রবার সকালে সিআইডির আধিকারিকরা চন্দ্রনাথ সিনহার সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। তাঁর স্বাক্ষরের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও পরীক্ষা করে দেখেন তদন্তকারীরা। যদিও তদন্তের স্বার্থে এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। সিআইডির পক্ষ থেকেও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে। কারণ, বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তার মধ্যেই বিধায়কদের স্বাক্ষর যাচাই করতে সিআইডির সক্রিয়তা নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের বক্তব্য, এত সকালে তদন্তকারী সংস্থার গাড়ি এসে পৌঁছনোর পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করেন। যদিও তৃণমূলের তরফে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই তদন্ত আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে পারে। স্বাক্ষর সংক্রান্ত কোনও অসঙ্গতি ধরা পড়লে তা রাজনৈতিকভাবে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুরো বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।সব মিলিয়ে, বোলপুরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও সরগরম হয়ে উঠেছে। সিআইডির পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের।
Popular Categories


