সংখ্যালঘু অধিকার দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার কলকাতার শেক্সপিয়র সরণির ইরফান লাইব্রেরিতে একটি নাগরিক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সংখ্যালঘুদের অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়। সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ভারতের সংবিধান গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ হলেও বাস্তবে ধর্মীয় ও ভাষিক সংখ্যালঘুদের অধিকার বারবার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি পরিচালিত সরকার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর সংখ্যালঘুদের ন্যায্য সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত করা হচ্ছে না।
কনভেনশনে উপস্থিত বিশিষ্টজনরা দেশের সংখ্যালঘুদের ধর্মীয়, সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। সভায় বিহারের একটি ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়। চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়ার সময় বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার এক সংখ্যালঘু মহিলা চিকিৎসকের হিজাব টেনে খুলে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে অপমানজনক ও সংবিধান বিরোধী বলে উল্লেখ করেন মুহাম্মদ কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের এমন আচরণ সংখ্যালঘু মহিলার ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় মর্যাদায় আঘাত করেছে। এই ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়। সভায় সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সভাপতি মওলানা আনোয়ার হোসেন কাশেমী বলেন, ওবিসি তালিকার রদবদল করে সংখ্যালঘুদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা চলছে। তিনি এই ধরনের পদক্ষেপ অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানান।


