নির্বাচনের ঠিক আগেই মৃত বি.এল.ও কর্মীদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগে অনেকেই সরকারকে মানবিক পদক্ষেপের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ঘটনাটির সময় নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে উদ্দেশ্য নিয়ে। বিরোধীদের দাবি, সহানুভূতির সঙ্গে রাজনৈতিক হিসেব মিশে যেতে পারে। যদিও শাসক শিবির স্পষ্ট জানিয়েছে—এটি দায়িত্ব থেকে করা কাজ, এর সঙ্গে ভোট রাজনীতির সম্পর্ক নেই।
এখন মূল আলোচ্য—এই সাক্ষাৎ কি সত্যিই দায়িত্ববোধের প্রকাশ, নাকি ভোটের আগে সংবেদনশীলতার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কৌশল?


