দিল্লিতে ঘটে গেল মর্মান্তিক নক্কারজনক ঘটনা, যা দেখে রীতিমত স্তম্ভিত সাধারণ মানুষ। মুনাক খালে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরের মৃতদেহ উদ্ধার করে দিল্লি পুলিশ। ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পর পোস্টমর্টেম রিপোর্টে জানা গেছে, তাকে ধর্ষণও করা হয়েছিল। পোস্টমর্টেম এর রিপোর্ট সামনে আসা মাত্রই রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে। দিল্লি পুলিশ আগেই এই ঘটনায় ছয়জনকে আটক করেছে, যার মধ্যে দু’জন প্রাপ্তবয়স্ক। পরবর্তীতে আরও তিন কিশোরকে আটক করা হয়েছে একটি কাঁওয়ার শিবির থেকে।
দিল্লী পুলিশের দাবি, “মীরাটের একটি কাঁওয়ার ক্যাম্পে লুকিয়ে থাকা আরও তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।” পুলিশের তরফ থেকে আরও জানাজায়, ৯ জন পুলিশকর্মী কাঁওয়ারিয়ার ছদ্মবেশে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ৩ কিশোরকে গ্রেপ্তার করে। ১ জুলাই বিকাল ৩.১০টায় হায়দারপুরের এলাকাবাসীরা খালে একটি মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। দেহটি ছিল সম্পূর্ণ নগ্ন, মৃতদেহের গলায় ছিল জোরালো একটি ফাঁস। এ দেখে তৎক্ষণা পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসী। শরীরে অসংখ্য ছুরির দাগ ছিল। ট্যাটু ও দেহের গঠন দেখে পুলিশ শনাক্ত করে যে সে সিরাসপুরের বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, ২৯-৩০ জুন রাতে ছেলেটিকে অপহরণ করা হয়, ধর্ষণ করে ও খালে নিয়ে যায়। সেখানে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে নগ্ন করে তাকে বারবার ছুরি মারা হয়। মৃত্যু নিশ্চিত করে দেহ খালে ফেলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। অপরাধে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনার দ্রুত নিষ্পত্তিস চাইছে। মূল অভিযুক্তরা যাতে কঠোর সাজা পায় তার আশ্বাস দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।


