ডোমজুড়ের সলপ–১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬৩ নম্বর পার্টে কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষক অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও জোর করে বিএলও-র কাজে পাঠানো হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। অনির্বাণের বাঁ পায়ে আগে থেকেই সমস্যা ছিল এবং চিকিৎসকেরা তাঁকে অতিরিক্ত হাঁটাচলা এড়াতে বলেছিলেন। পরিবার জানায়, SIR চালুর আগেই তাঁরা প্রতিবন্ধী সনদ জমা দিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও তাঁর ওপর দায়িত্ব চাপানো হয়।
কয়েকদিন ধরে অতিরিক্ত যাতায়াত করতে গিয়ে তাঁর পায়ে সংক্রমণ বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি গুরুতর হলে মঙ্গলবার রাতে তাঁকে কাঁকুড়গাছির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিবার জানিয়েছে, শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে সঙ্গে অনির্বাণ মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছেন এবং দীর্ঘ চিকিৎসার খরচ বহন করাও তাঁদের পক্ষে কঠিন। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলছেন, শারীরিকভাবে অসুস্থ একজন শিক্ষককে এভাবে জোর করে মাঠে নামানো কতটা মানবিক। পুরো ঘটনায় প্রশাসনের দায়িত্ববোধ নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।


