গত রবিবার পশ্চিমবঙ্গে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল কংগ্রেস। বিগত ২০ বছর পর, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ২৮৪ টি আসনে একা লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের পূর্বেই উঠে আসছে সাংগঠনিক পরিকাঠামোর গাফিলতি ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ছবি। ডোমকল বিধানসভার কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী শ্রীমতি শাহনাজ বেগমকে মানতে পারছে না, কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা। দলের কর্মী সমর্থকদের একাংশের দাবি, কংগ্রেসের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ রবিউল চৌধুরীকে প্রার্থী করতে হবে। শ্রীমতি শাহনাজ বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে, তিনি বহিরাগত! তাই স্বভাবত তিনি ডোমকল এলাকার মানুষদের মন বুঝতে ব্যর্থ হবেন। শুধু তাই নয় সংশয় প্রকাশ করা হচ্ছে, এলাকাকে ভালো করে না চেনার ফলে, আঞ্চলিক অভাব অভিযোগ বুঝতে কি তিনি আদৌ সচেষ্ট হবেন?
সব মিলিয়ে রবিবার কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়া মাত্রই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তুঙ্গে ওঠে। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, বচসা ধীরে ধীরে হাতাহাতির পর্যায়ে চলে যায়। ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের দোরগোড়ায় এসে কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে কি বাড়তি সুবিধা লাভ করবে বিরোধী দলগুলি? জোরালো হচ্ছে প্রশ্ন!
অন্যদিকে, কংগ্রেস থেকে সদ্য বিজেপি-তে যোগ দেওয়া সন্দীপা চক্রবর্তী NBTV কে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, “বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সম্পূর্ণভাবে তৃণমূলের হাতে নিজেকে সঁপে দিয়েছে। তাদের কথাতে কংগ্রেস উঠছে আর বসছে।” শুধু তাই নয় তিনি বর্তমান প্রবেশ কংগ্রেসকে ‘তৃণমূলের দালাল’ বলে বিদ্ধ করেন। বিজেপিতে সদ্য যোগ দেওয়া কংগ্রেসের প্রাক্তন মুখপাত্র সন্দীপা চক্রবর্তী আরও বলেন, “ভূমিপুত্র বা ভূমিপুত্রীদের যোগ্য সম্মান বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস ছিল না তার প্রতিবাদ স্বরূপ আমি সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছি।” তিনি মনে করছেন, তৃণমূল কংগ্রেস ও জাতীয় কংগ্রেস আলাদা কোন দল নয়। তিনি তৃণমূল ও কংগ্রেসের বিরোধিতা করে বলেন, “গোডাউন একটাই কিন্তু শোরুম আলাদা।”


