বর্তমানে বীরভূম জেলার বেশ কয়েকটি কলেজে প্রক্তনীদের দাপট নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। জানা যাচ্ছে কলেজে এখন যারা পড়াশোনা করছে, তারাই নাকি সবচেয়ে ব্রাত্য! নবীনবরণ হোক বা শিক্ষকদের বিদায় অনুষ্ঠান সবকিছুতেই মূল ভূমিকায় থাকেন প্রাক্তন ছাত্ররা।
ছাত্রদের অভিযোগ, কলেজের যাবতীয় কাজকর্মের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন একদল প্রাক্তনী, যারা বহু বছর আগে পাস আউট করেছেন। কেউ কেউ এখন শাসকদলের পদেও রয়েছেন। ফলে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের কিছু বলতে সাহস পান না।
বীরভূমের রাজনগর কলেজের এক তৃতীয় বর্ষের ছাত্র বলেন, “সরস্বতী পুজো, বাৎসরিক অনুষ্ঠান সবকিছুতেই প্রাক্তনী দাদাদের কথাই হলো শেষ কথা। প্রতিবাদ করলে কলেজ থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি আসে।” এমনকি, কলেজে নতুন আসবাব কেনা, লাইব্রেরির বই কেনা, সবেতেই প্রাক্তনীদের প্রভাব রয়েছে বলে দাবি ছাত্রদের।
অন্যদিকে লাভপুরের শম্ভুনাথ মহাবিদ্যালয়ের এক ছাত্র জানান, “এখানে হিরণ মল্লিক নামে একজন প্রাক্তন ছাত্রই সব কিছু চালান। উনি ২০১৪ সালে পাস আউট করেছেন। এখন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ব্লক সভাপতি। কলেজের যেকোনও অনুষ্ঠানে ওনাকে দেখা যায়।” বীরভূমের অনেক কলেজেই একই পরিস্থিতি চলছে বলে অভিযোগ ছাত্রদের।


