উত্তরপ্রদেশের ফতেহপুর জেলায় একটি পুরনো মাজার ভাঙচুরের ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, বজরং দলের এক পদাধিকারীর নেতৃত্বে এই ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভিটৌরা ব্লকের বজরং দলের কনভেনর নরেন্দ্র হিন্দুর নেতৃত্বে একদল কর্মী গ্রামের ওই মাজারে জড়ো হয়। এরপর হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে মাজারের একাংশ ভেঙে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। এই মাজারটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষজনের কাছে শ্রদ্ধার স্থান ছিল বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনার একটি ভিডিও দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। যদিও পরে মূল অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি মুছে ফেলা হয়, ততক্ষণে সেটি বহু মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি মাজার ভাঙচুর করছেন এবং সেই সময় কিছু উসকানিমূলক মন্তব্য করছেন।
এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সে জন্য পুলিশ দ্রুত এলাকায় অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করে। পুলিশ নরেন্দ্র হিন্দুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। ফতেহপুরের পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে। ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।


