উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে সোমবার, ১৬ই ফেব্রুয়ারি হিন্দু রক্ষা দলের কর্মী ২৫ বছরের প্রিন্স ঠাকুরকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ঘটনাটির সূত্রপাত, হিন্দন নদীর সেতুর কাছে, ছট পূজা ঘাটের পাশের উড়ালপুলের নীচে অবস্থিত বহু বছরের পুরনো একটি মাজারকে ঘিরে।
ভাইরাল হওয়া একটু ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি পায়ে লাথি মেরে মাজারের কিছু অংশ ভাঙচুর করছে। পরে পুলিশ জানায়, ভিডিওতে যাকে স্পষ্টভাবে দেখা গিয়েছেন, সে হিন্দু রক্ষা দলের কর্মী প্রিন্স ঠাকুর। যদিও ঘটনাস্থলে আরও দু’জন ছিল বলে জানা গেছে, কিন্তু ভিডিওতে সরাসরি ভাঙচুর করতে দেখা যায় কেবল তাকেই।
রবিবার এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, অভিযুক্ত নিজেই সেটি পোস্ট করে। পোস্টে সে দাবি করে, মাজারটি নাকি অবৈধভাবে তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দেয়, প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে সংগঠন নিজেরাই পদক্ষেপ নেবে।
সাহিবাবাদের এসিপি শ্বেতা যাদব জানিয়েছেন, এই ধরনের উসকানিমূলক কাজ ও মন্তব্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে বিপজ্জনক। তিনি বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন কাজ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় প্রিন্স ঠাকুরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত এবং ইচ্ছাকৃত ভাবে উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগও তাতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে তোলা হলে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়।


