২০২৬ সালের হজ যাত্রাকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে প্রস্তুতি এখন শেষ ধাপে। হজে যেতে ইচ্ছুক যাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে রাজ্য হজ কমিটি টিকাকরণ কর্মসূচি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমিটির সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই বিশেষ উদ্যোগ শুরু হতে পারে এবং তা ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে চলবে।
কর্মসূচির সূচনা হবে কলকাতার পার্ক সার্কাসের হজ হাউস থেকে। এরপর ধাপে ধাপে জেলার সদর হাসপাতাল ও মহকুমা হাসপাতালগুলিতে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। যাতে দূরবর্তী এলাকার যাত্রীরাও সহজে পরিষেবা পান, সে দিকেই বিশেষ নজর রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের প্রশিক্ষিত কর্মীরা সরাসরি এই কাজে যুক্ত থাকবেন। এবার টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নতুন নিয়মও চালু করা হয়েছে। হজযাত্রীদের নির্দিষ্ট কিছু স্বাস্থ্য সংক্রান্ত শংসাপত্র এবং মেডিক্যাল নথি সঙ্গে আনতে হবে। কোন কোন কাগজপত্র প্রয়োজন, তা শিগগিরই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানিয়েছে কমিটি। আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী মেনিনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো রোগের প্রতিষেধক নেওয়া বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি শারীরিক সক্ষমতার রিপোর্ট জমা দেওয়াও প্রয়োজন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। প্রতিটি জেলায় প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন, চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মী রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জেলা সংখ্যালঘু দফতরের সঙ্গেও সমন্বয় রেখে কাজ চলবে। রাজ্য হজ কমিটির চেয়ারম্যান ও জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় হজ কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ভ্যাকসিন রাজ্যে পৌঁছলেই টিকাকরণ শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, যাত্রীদের যেন কোনও অসুবিধা না হয়, সে জন্য সব রকম সহযোগিতা দেওয়া হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সবাইকে টিকা নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানানো হয়েছে।


