উত্তরাখণ্ডের হালদ্বানিতে ১৬ নভেম্বর একটি নবজাত বাছুরের দেহাংশ মন্দিরের কাছে পাওয়া যায়। এরপর থেকেই এলাকায় অশান্তি বাড়তে থাকে। পরের দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়ে—যে মুসলিমরা নাকি ইচ্ছে করে বাছুরটিকে মেরেছে। এসব পোস্টে উত্তেজনা আরও বাড়ে।
পুলিশ ঘটনাটি খতিয়ে দেখছিল। কিন্তু এর মধ্যেই কিছু হিন্দুত্ববাদী কর্মী এবং বিজেপি নেতা বিপিন পাণ্ডে সামাজিক মাধ্যমে উসকানিমূলক বার্তা দেন বলে অভিযোগ। এই কারণে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরে জামিনে ছাড়া পান।
একজন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার দাবি করেন যে কথিত বাছুর হত্যার ঘটনাটি নাকি শামা ডিলাক্স হোটেলের সঙ্গে যুক্ত—যা মুসলিম ব্যবসায়ী আমির হামজার মালিকানাধীন। যিনি শহরের অন্যতম পুরোনো ও জনপ্রিয় মাংস পরিবেশনকারী প্রতিষ্ঠান শামা রেস্টুরেন্টেরও মালিক। এর পরেই কিছু লোক তাঁর রেস্টুরেন্টে পাথর ছোড়ে এবং বাইক ভাঙচুর করে। পুলিশ লাঠিচার্জ করে ভিড় ছত্রভঙ্গ করে। সাতজনকে গ্রেপ্তার ও ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।


