কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে অনলাইনে প্রচারিত বিষয়বস্তু নিয়মিত নজরদারিতে রাখা হবে। এনআইএ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলিকে এই সংক্রান্ত নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে দেশবিরোধী পোস্ট এর ওপর নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে এবং এই সংক্রান্ত সব রিপোর্ট সরকারের কাছে পেশ করতে হবে এমনটাই জানা গিয়েছে।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, আইন ও বিচার মন্ত্রক, তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক ও যোগাযোগ মন্ত্রকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতিমধ্যেই একাধিক বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে যৌথভাবে একটি নতুন নীতি গঠনের পরিকল্পনা চলছে, যেখানে সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলিকে আরও দায়বদ্ধ করা হবে।
সম্প্রতি, এক্স (টুইটার) অভিযোগ করে জানিয়েছে, ৩ জুলাই ভারত সরকার তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৯এ ধারা অনুযায়ী ২,৩৫৫টি অ্যাকাউন্ট বন্ধের নির্দেশ দেয়, যার মধ্যে রয়টার্সের মতো আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাও ছিল। এক ঘণ্টার মধ্যে এসব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে বলা হয়, অথচ কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
এর আগে, ২০১৯ সালের সিএএ ও এমআরসি বিরোধী আন্দোলনের সময় এবং চলতি বছরে পহেলগাঁও হামলার পরেও বহু অ্যাকাউন্ট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল সরকার। এ ছাড়া কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ, আসাম ও দিল্লিতে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ‘ এক্সেস নাও ‘ নামক একটি সংস্থা ২০২২ সালে জানায়, বিগত পাঁচ বছর ধরে ভারত বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে।


