গাজা কর্তৃপক্ষ শনিবার অভিযোগ করেছে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল প্রায় ৫০০ বার চুক্তি ভেঙেছে। তাদের দাবি, এই লঙ্ঘনগুলির ফলে শতাধিক সাধারণ মানুষ আহত হয়েছেন। একই দিনে গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বিমানহানায় অন্তত ২৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শিশু ও মহিলাও রয়েছে। এর ফলে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব আরও প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
গাজা সরকারের মিডিয়া অফিস জানায়, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা মোট ৪৯৭টি লঙ্ঘনের প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। শুধু শনিবারই ২৭টি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, যাতে ২৪ জন নিহত ও ৮৭ জন আহত হন। তাদের মতে, সংঘর্ষবিরতি শুরুর পর থেকে মোট ৩৪২ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই শিশু, মহিলা ও প্রবীণ। আহত হয়েছেন আরও ৮৭৫ জন। গাজা কর্তৃপক্ষ বলছে, এই হামলাগুলো নিয়মিত ও পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
হামাসও দাবি করেছে, ইসরায়েল নিয়মিত ভাবে চুক্তি ভঙ্গ করছে এবং এই হামলার আড়ালে নিজেদের সেনা প্রত্যাহারের সীমারেখাও বদলাতে চাইছে। হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ইজ্জাত আল-রিশক বলেন, ইসরায়েল “চুক্তি থেকে পালানোর অজুহাত তৈরি করছে এবং যুদ্ধের পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে চাইছে।” গাজা প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, মধ্যস্থতাকারী দেশ ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। তাদের দাবি, সংঘর্ষবিরতি রক্ষা করতে ইসরায়েলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াতে হবে, নইলে পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে।


