ইরানের এক শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে গোটা বিশ্বে অস্থিরতা শুরু হবে এবং একই সঙ্গে শুরু হতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে। রবিবার (৫ জুলাই) ইরানের সাংস্কৃতিক বিপ্লব পরিষদের সদস্য হাসান রহিমপুর আজঘাদি এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, “খামেনিকে টার্গেট করলে তা এই শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ভুল হবে। এর জবাবে আমেরিকা-সহ পাঁচ মহাদেশে হামলা হবে। এমনকি আমেরিকার ভেতরেও প্রতিশোধমূলক হত্যাকাণ্ড শুরু হবে।” ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ স্বীকার করেছেন, জুনে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত চলাকালীন খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু সুযোগ মেলেনি।
১৩ জুন শুরু হয় ইসরায়েলের ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’, যার জবাবে ইরান চালায় ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৩’—প্রায় ৫৫০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ১,০০০ ড্রোন ছোড়ে ইরান। এতে ইরানে ৬০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে ও ৫,৩০০ জন আহত হন। ইসরায়েলে নিহত ২৮ জন, আহত হাজারের বেশি। ক্ষতিগ্রস্ত হন ৯,০০০-র বেশি মানুষ, অর্থনৈতিক ক্ষতি ১.২ থেকে ১.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২২ জুন, আমেরিকার ‘মিডনাইট হ্যামার’ অভিযানে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। জবাবে ইরান আবার হামলা করে কাতারে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে। পরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইরান ইসরায়েলের দিকে আরও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানান। পরিস্থিতি এখনো থমথমে।


