রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ সমীক্ষা (এসআইআর) শুরু করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। এই কারণে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল রাজ্যের সব জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের দ্রুত আবেদনপত্র ছাপানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
সূত্রের খবর, রাজ্যে যত ভোটার আছেন, তার দ্বিগুণ আবেদনপত্র ছাপানো হবে। প্রায় ১৫ কোটি ফর্ম ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এত বড় সংখ্যক ফর্ম এক জায়গা থেকে ছাপানো সম্ভব নয়, তাই কোন কোন জেলায় ছাপা যাবে তা জানাতে বলা হয়েছে জেলাগুলিকে। এই বিষয়ে মঙ্গলবার একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন সিইও মনোজ আগরওয়াল। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত বুধবার দিল্লিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরে। সেখানে দেশের সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকেরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে নেতৃত্ব দেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী অক্টোবর মাস থেকেই গোটা দেশে শুরু হতে পারে এই বিশেষ ভোটার তালিকা সমীক্ষা।
সিপিআই (এম.এল) এর পক্ষ থেকে এসআইআর – এর বিরুদ্ধে একটি জনসভা আয়োজিত হল রাজ্য যুব কেন্দ্রে। এই জনসভায় বিশিষ্ট বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিআই(এমএল) এর সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য, সিপিআই(এম) এর রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিম, সিপিআই এর রাজ্য সম্পাদক স্বপন ব্যানার্জীসহ বাম দলগুলির শীর্ষস্থানীয় নেতারা।
ইতিমধ্যে বিহারে এসআইআর কার্যকর করা হয়েছে। অভিযোগ উঠছে, ভোটার তালিকা থেকে এসআইআর এর নামে অসংখ্য মুসলমান ভোটারদের বাদ দেওয়া হয়েছে। মোহাম্মদ সেলিম এর বক্তব্য অনুযায়ী, “সরকার নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন কার্য পরিচালনা করতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে। কোনো দিদি মোদি নয়, নিজের অধিকার বুঝে নিতে মানুকেই আরও বেশি সচেতন হতে হবে।”


