মালদা জেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে এসআইআর প্রসঙ্গ। জন্ম শংসাপত্রের প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যাওয়ায় ভিড় বাড়ছে হাসপাতাল, পৌরসভা অফিসেও। সরকারের নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, অফলাইনে পাওয়া জন্ম শংসাপত্র এখন ডিজিটালে রূপান্তর করতে হবে। এই নিয়মে দিশেহারা সাধারণ মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, যদি পুরানো জন্ম শংসাপত্র ডিজিটালে না করা হয়, তবে ভোটার তালিকা থেকে নাম মুছে যেতে পারে।
সম্প্রতি মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে দেখা গেছে, দীর্ঘ লাইন, যেমনটি সাধারণত আউটডোর রোগীদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। মালদা পৌরসভায় একই চিত্র। কেউ জাতি শংসাপত্র তুলতে এসেছেন, কেউ আবার ওবিসি শংসাপত্রের কাজে। রতুয়ার বাসিন্দা আবুল কাশেম ভোরবেলা ৫০ কিলোমিটার দূর থেকে এসে ইংরেজবাজার পুরসভার সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি জানান, “আজ হিয়ারিং আছে, তাই এসেছি।” পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, ভিড় সামলাতে নতুন কাউন্টার খোলা হয়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কর্মীরা কাজ করছেন নিরন্তর। পাশাপাশি, নাগরিকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যে কোনও সাইবার ক্যাফে থেকে অনলাইনে ফর্ম পূরণ করলে সহজেই শংসাপত্র সংগ্রহ করা যাবে।


