শীত এবং গ্রীষ্মের সন্ধিক্ষণে উত্তপ্ত দিল্লি। ২রা ফেব্রুয়ারি, ইলেকশন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছে গেলেন বঙ্গভবনে। কথা বললেন, SIR আতঙ্কে মৃত ব্যক্তির পরিবারের লোকেদের সঙ্গে। যার ফলে গ্রীষ্ম পড়ার আগেই, উত্তপ্ত হয়ে উঠলো দিল্লি। সকাল থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়ন করা হয়েছে ঘটনাস্থলে। বঙ্গভবনের বাইরে দেখা গেছে একাধিক প্রিজন ভ্যান। সূত্র মারফত খবর পাওয়া যাচ্ছে, আজ বিকেল চারটের আগেই ইলেকশন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি মৃত ব্যক্তিদের পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে বৈঠকে যাবেন?
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, সকাল থেকে দিল্লির বঙ্গভবন ঘিরে রেখেছে দিল্লি পুলিশ। ঘরে ঘরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে, কে কে এসেছে তা দেখা হচ্ছে। মমতার দাবি, এই কাজ করার অধিকার পুলিশের নেই। তিনি জানান, প্রায় ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং কয়েকটি পরিবার অভিযোগ জানাতে এসেছে। অনুমতি পেলে তারা প্রতিবাদ করবে। মমতা বলেন, নির্বাচন কমিশন ও সুপ্রিম কোর্ট আছে, সেখানে অভিযোগ জানানো হবে। পাশাপাশি তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সতর্ক করে বলেন, বাংলার মানুষকে ভয় দেখালে তার জবাব দেওয়া হবে।
বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমন পদক্ষেপে আদেও কি SIR সংক্রান্ত সমস্যার সুরাহা হবে? পশ্চিমবঙ্গে SIR প্রক্রিয়া শুরুর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে বলেছিলেন, “আমি বেঁচে থাকতে একটাও SIR হতে দেবো না।” রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর এমন বিবৃতির পরেও জল এত দূর গড়ালো কি করে? রাজ্যে প্রতিনিয়ত SIR আতঙ্কে যে মৃত্যুগুলো ঘটছে তার দায়ভার কে নেবে?


