মণিপুরে জাতিগত সহিংসতার ঘটনা অতিক্রম করেছে দীর্ঘ দুই বছর। এই ঘটনার পর এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর মনিপুর সফরে আসছেন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের জাতিগত সহিংসতার পর এটি তার প্রথম মনিপুর সফর। তবে রাজ্যের সাধারণ মানুষের মধ্যে এই সফর নিয়ে খুব একটা উদ্দীপনা নেই বলেই চলে। অনেকেই মনে করছেন, এই সফরেও মনিপুরের মানুষদের বাস্তবে যে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তা সমাধান হবে না। সূত্রে মারফত জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী ইম্ফল ও চুরাচাঁদপুরে দুটি জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। এর আগে চুরাচাঁদপুরে রাজ্যপাল অজয় কুমার ভল্লা পাঁচজন কুকি-জো বিধায়কের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এদিকে চুরাচাঁদপুরের মূল ময়দানে শনিবার বিকেলে কুকি-জো সম্প্রদায়ের সামনে মোদীর ভাষণ দেওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানা গিয়েছে।
কুকি-জো কাউন্সিল মোদীর এই সফরকে ঐতিহাসিক ও বিরল বললেও তারা নিজেদের জন্য পৃথক একটি প্রশাসনের দাবি জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে কুকি-জো কাউন্সিল জানিয়েছে, “এই দাবি কোনো স্বার্থ থেকে নয়, বরং শান্তি, নিরাপত্তা ও বেঁচে থাকার জন্য জরুরি।” প্রবীণ আইনজীবী সিয়াম ফাইফি, যিনি নিজেও সহিংসতার শিকার হয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, জানান, “এই সফরে কিছুই বদলাবে না। গত আড়াই বছরে সমস্যার কোনো বাস্তব সমাধান দেওয়া হয়নি।” মণিপুরের সহিংসতার শিকার হওয়া বহু বাস্তুচ্যুত মানুষ জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী এই সফরের খবর শুনে তারা সন্তুষ্ট নন। স্থানীয় এক কুকি মহিলা জানান, “ইম্ফলে যা ছিল সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, আমরা কিছু আশা করি না।”


