রাজ্যে প্রায় রোজই মহিলা নিগ্রহের ছবি সামনে আসছে। এবার অভিযোগের তির নৈহাটির ৩ নম্বর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি ও তার দলবলের বিরুদ্ধে।
যদিও বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই।
অভিযোগকারিণীর দাবি, কয়েক দিন আগে একদিন রাতে তাঁকে আপত্তিকর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তা প্রত্যাখ্যান করে পরদিন জেটিয়া থানায় অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এর মধ্যেই বিজেপির স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে।
নৈহাটির ঘটনায় এবার পুলিশের তদন্তেই স্পষ্ট হবে অভিযোগের সত্যতা। তবে প্রশ্ন উঠছে, রাজনৈতিক পালাবদলের পরও কি স্থানীয় স্তরে সাধারণ মানুষের উপর নেতাদের প্রভাব ও চাপ একই রকম থাকবে। অভিযোগ সত্যি হলে, মহিলার নিরাপত্তা নিয়েও বড় প্রশ্ন তৈরি হবে।
কিছুদিন আগেই বালিগঞ্জের গুপ্তা ব্রাদার্সে এক বিজেপি যুব নেতার বিরুদ্ধে হুমকি ও মারধরের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। আবার সম্প্রতি কোচবিহারে এক বিজেপি নেতাকে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। যদিও বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব বারবার দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও দাদাগিরির অভিযোগে কড়া বার্তা দিয়েছে। কিন্তু পালবদলের পরেও রাজ্যে নারী সুরক্ষা কোথায় সেটাই বড় প্রশ্ন।


