উত্তরবঙ্গে টানা ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত চলছে। ভুটানের পাহাড় থেকে প্রচুর জল নেমে আসায় তিস্তা, তোর্ষা, জলঢাকা, রায়ডাক ও সংকোশ নদীর জলস্তর বিপজ্জনকভাবে বেড়েছে। হড়পা বানের আশঙ্কায় নদীর পাড়ের হাজার হাজার মানুষ রাত জেগে আতঙ্কে রয়েছেন।
সেচ দপ্তর ইতিমধ্যে লাল সতর্কতা জারি করেছে। শিলিগুড়ির চম্পাসারি, প্রধান নগর, স্বামীজী মোড়সহ অনেক ওয়ার্ড এবং কোচবিহার শহরের বিভিন্ন এলাকা রাতের মধ্যে জলে ডুবে গেছে। ময়নাগুড়ির ধর্মপুর, চাতরা পাড়, মাস্টার পাড়া, বাসুসুবা, চাপাডাঙা সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। আলিপুরদুয়ারের বারোবিশাতেও জল ঢুকে ভোগান্তি বেড়েছে।
সিকিমের মঙ্গন জেলায় ১০৫ মিলিমিটার অতি ভারী বৃষ্টির কারণে তিস্তার জল আরও বেড়েছে। রংপো-রোরথাং রাস্তা ভূমিধসে বন্ধ হয়ে গেছে। জলঢাকা নদীতে একটি হাতি শাবকসহ আটকে পড়েছে। নাগরাকাটার বামনডাঙ্গা চা বাগানেও হাতির দল দেখা গেছে।
নাগরাকাটার সুখানি ঝোরা ফুলে উঠেছে। শালকুমারহাট, দেওয়ানগঞ্জ বাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় হাঁটু সমান জল জমেছে। পুলিশ মাইকিং করে নদী তীরবর্তী মানুষদের সতর্ক করছে।
সেচ দপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার কৃষ্ণেন্দু ভৌমিক জানিয়েছেন, “পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে আছে। সব নদীতে নজরদারি চলছে।” তবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


