পাটনায় ২২ বছরের সোফিয়া পারভীনকে খুন করার অভিযোগে উঠছে তার ”লিভ-ইন পার্টনার’ অমিত কুমারের উপর। পাটনার আশোকপুরীর সোহো নির্মলা অ্যাপার্টমেন্টে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, সোফিয়া তৃতীয় তলার বারান্দা থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অমিত পরে সোফিয়ার দেহ অটো রিকশায় করে ইন্দিরা গান্ধী ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেসে নিয়ে যায়। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, অমিত সোফিয়ার রক্তাক্ত দেহটি স্ট্রেচারে রাখার পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সোফিয়ার পরিবার তার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন এক তার বন্ধুর থেকে। তিন দিন পর তারা হাসপাতালের মরগে দেহ সনাক্ত করেন বলে জানা যায়। সোফিয়ার বোন শবানা খাতুন বলেন, “আমার বোন নার্সিং পড়ছিল এবং পাটনার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে কাজ করছিল। একদিন সে আমাদের বাড়িতে অমিতকে পরিচয় করিয়েছিল। সে পুলিশ কর্মকর্তা বলেই দাবি করেছিল এবং বেত্তিয়া থেকে একটি স্কারপিও গাড়িতে আমাদের বাড়িতে আসেছিল। ” শবানা আরও বলেন, সোফিয়া তাদের পরিবারের সবচেয়ে হাসিখুশি সদস্য ছিলেন তাই আত্মহত্যা করার কোনো প্রশ্নই উঠে না বলে দাবি করেন তিনি। তদন্তে দেখা গেছে, অমিত ও সোফিয়ার এক মাস ধরে একসঙ্গে বসবাস করছিলেন। ফ্ল্যাট ভাড়ার সময় অমিত নকল আধার কার্ড ব্যবহার করেছিলেন এবং দাবি করেছিলেন তারা বিবাহিত।


