ভোটের আবহে রাজনীতির ময়দানে এবার নতুন সংযোজন ভাইরাল গান। “শওকাত দা মাছ চোর”—এই গান এখন বাঙালির মুখে মুখে। ভাঙড় বিধানসভা এলাকায় আইএসএফ ও সিপিএম কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারে এই গানের তালে নাচতে দেখা গিয়েছে। শুধু রাজ্যেই নয়, সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে গানটি বিদেশের মাটিতেও ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের একাংশের।
কিন্তু হঠাৎ ‘মাছ চোর’ শব্দবন্ধ কেন? সেই বিতর্কের নেপথ্যের ব্যাখ্যা সামনে আনলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কাইজার আহমেদ। কাইজার আহমেদ দাবি করেন, তিনি আগে থেকেই শওকত মোল্লাকে ‘মাছ চোর’ ও ‘নটোরিয়াস ক্রিমিনাল’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন এবং সেই শব্দবন্ধ থেকেই গানের জন্ম। তাঁর কথায়, “মাছ চুরি করত বলেই মাছ চোর বলেছি। সংসার জীবনের শুরুতে ওর ভীষণ আর্থিক সমস্যা ছিল। সংসার চালানোর জন্য অন্যের ভেড়ি থেকে মাছ চুরি করে ক্যানিং বাজারে বিক্রি করত—এ কথা ও নিজেই আমাকে ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছিল। তবে আমি ব্যক্তিগত আক্রমণের পক্ষপাতী নই।”
ভাঙড়ে নির্বাচনী প্রচারে আইএসএফ ও সিপিএম কর্মীদের এই গানের সঙ্গে নাচতে দেখা যায়। মুহূর্তে গানটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়ে এবং রাজনৈতিক তরজার নতুন অস্ত্র হয়ে ওঠে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে শওকত মোল্লা বলেন, “কে কী বলছে তা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। আইএসএফ-এর কোনও রুচি নেই বলেই এমন গান বানিয়েছে। রুচিহীন মানুষদের কাছ থেকে রুচিশীল গান আশা করা যায় না। রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে না পেরে ভাইরাল হওয়ার চেষ্টা চলছে।”
ভোটের মরশুমে রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ির মধ্যেই এই গান এখন ভাঙড়ের রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।


