শিমলার রোহড়ু- এ মাত্র ১২ বছরের এক দলিত কিশোর অপমান সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ অবলম্বন করলো। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিশোরটি এক উচ্চবর্ণের মহিলার বাড়িতে ঢুকে পড়ে। তারপর তাকে ধরে গোয়ালঘরে আটকে রাখা হয়। অভিযোগ, মহিলাটি তাকে অপমান করে এবং কিশোরটি তার বাড়িতে ঢুকে পড়ার কারণে তার বাড়ি অপবিত্র হয়ে গেছে। কিশোরটিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গোয়ালঘরে আটকে রেখে হেনস্থা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। পরে সে সেখান থেকে পালাতে সক্ষম হলেও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে। পরিবারের লোকজন তাকে দ্রুত শিমলার ইন্দিরা গান্ধী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায় কিন্তু চিকিৎসকদের চেষ্টার পরেও তার মৃত্যু হয়।
রোহড়ুর ডিএসপি প্রণব চৌহান জানিয়েছেন, ঘটনাটির কোনো প্রত্যক্ষদর্শী নেই। তবে পুলিশ মামলা হাতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। মৃত কিশোরের কাকা সুরেশ বান্টা দাবি করেছেন, বিষ খাওয়ার পর ছেলেটি তার মাকে পুরো ঘটনা জানিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, “মহিলা বলেছিলেন, তার বাড়ি আবার শুদ্ধ করতে হলে ওই ছেলের বাবা-মাকে একটি ছাগল দিতে হবে। এই চাপ এবং অপমানের কারণেই ছেলেটি ভেঙে পড়ে।” ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন দলিত সংগঠন এই ঘটনার কঠোর নিন্দা জানিয়েছে এবং একে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে অভিহিত করেছে।


