অবশেষে প্রকাশ হলো অযোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তালিকা। এই তালিকা প্রকাশের পরই মালদা জেলায় শুরু হয়েছে তীব্র চর্চা ও রাজনৈতিক শোরগোল। জানা গিয়েছে , এই তালিকায় নাম উঠেছে এক তৃণমূল নেতার, যিনি মালদা জেলা পরিষদের সদস্যা ও তৃণমূল নেত্রী সারিকা খাতুনের স্বামী শামসুদ্দিন আহমেদ। অভিযোগ, তিনি দলের প্রভাব খাটিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন। এই ঘটনায় তৃণমূলের অস্বস্তি বাড়লেও, মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি শুভময় বসু জানান, “এটি পুরোপুরি আদালতের রায় অনুযায়ী রাজ্য সরকার তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে দলের কোনো সম্পর্ক নেই।”
তবে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক আরও বেড়েছে, কারণ শামসুদ্দিন আহমেদকে বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে এবং দলীয় কর্মসূচিতে মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের পাশে একাধিকবার দেখা গেছে। এই বিষয়টি নিয়ে শামসুদ্দিন আহমেদ বা তার স্ত্রী সারিকা খাতুন কেউই কোনো মন্তব্য করতে চাননি।


