সম্প্রতি বম্বে হাই কোর্ট ২০১৩ সালের ধর্ষণ মামলায় তেজপালকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। রায়ের পর তেজপাল জানিয়েছেন, তিনি সুপ্রিম কোর্টে যাবেন। তাঁর দাবি, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার।
২০১৩ সালের নভেম্বরে গোয়ার একটি হোটেলে ‘তহেলকা’-র অনুষ্ঠানের সময় এক তরুণী তেজপালের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেন। গোয়া পুলিশের তদন্তে জানা যায়, ৭ ও ৮ নভেম্বর পর পর দু’দিন এই ঘটনা ঘটেছিল বলে অভিযোগ। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজও তদন্তের অংশ ছিল। ৩০ নভেম্বর তেজপালকে গ্রেফতার করা হয়। প্রায় ছ’মাস তিনি জেলে ছিলেন।
২০১৪ সালে গোয়া পুলিশের অপরাধদমন শাখা প্রায় ৩,০০০ পাতার চার্জশিট জমা দেয়। পরে সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পান তেজপাল।
২০২১ সালে গোয়ার দায়রা আদালত তাঁকে বেকসুর খালাস করেছিল। সেই রায়ের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে যায় গোয়া সরকার। এবার সেই রায় বাতিল করে হাই কোর্ট তেজপালকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। আত্মসমর্পণের জন্য তাঁকে দু’সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।
তরুণ তেজপাল নির্দোষ—এমনই দাবি তাঁর মেয়ে কারা তেজপালের। তাঁর বক্তব্য, গত ১৩ বছর ধরে মামলার নথি ও তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখেই তিনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। তাই শুধু খবরের শিরোনাম দেখে নয়, পুরো প্রমাণ যাচাই করেই মতামত তৈরি করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
কারার অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। তাঁর দাবি, তেজপালের প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যম ‘তহেলকা’ বিজেপি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। সেই কারণেই তাঁর বাবাকে রাজনৈতিকভাবে নিশানা করা হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।


