মুর্শিদাবাদের কান্দি আদালত চত্বরে এক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, খড়গ্রামের বাসিন্দা শেরিফুল শেখের সঙ্গে কয়েকজন আইনজীবীর বচসার পর তাঁকে মারধর করা হয়। ঘটনায় তিনি আহত হন। প্রথমে তাঁকে কান্দি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাঁকে বহরমপুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনাটি ঘিরে যে তথ্য সামনে এসেছে, তা অনুযায়ী, একটি মামলার বিবাদীপক্ষের এক মক্কেলকে কেন্দ্র করে কান্দি বার অ্যাসোসিয়েশনের কয়েকজন আইনজীবীর সঙ্গে শেরিফুল শেখের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময়ই তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে ঠিক কী কারণে বচসার সূত্রপাত এবং পরে কী ঘটেছিল, তা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।আহত শেরিফুলকে ঘটনার পর কান্দি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা চলছিল। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি আরও খতিয়ে দেখতে সিটি স্ক্যানের প্রয়োজন হয়। সেই কারণে তাঁকে বহরমপুরের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।অন্যদিকে, ঘটনার পর শেরিফুল শেখের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের হয়েছে বলে খবর। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার অভিযোগ, এই ঘটনার সঙ্গে এমন কিছু আইনজীবীর যোগ রয়েছে, যাঁরা প্রাক্তন বিধায়ক অপূর্ব সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের ভূমিকা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়দের একাংশ।আদালত চত্বর সাধারণ মানুষের কাছে বিচার পাওয়ার জায়গা। সেখানে কোনও ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ উঠলে বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই তাঁকে দোষী ধরে নেওয়া যায় না। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং কারা কীভাবে এতে জড়িত ছিলেন, তা তদন্তের পরই পরিষ্কার হবে।বর্তমানে শেরিফুল শেখের চিকিৎসাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে মনে করছেন তাঁর পরিচিতরা। পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য সামনে আনার দাবি উঠেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হচ্ছে।
কান্দি কোর্টে এক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ, ঘটনায় তৃণমূলের প্রাক্তন নেতা ঘনিষ্ঠ আইনজীবীদের নাম যুক্ত!
Popular Categories


