‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ছবিটি চতুর্থ দিনে বক্স অফিসে বড় ধাক্কা খেল। সোমবার ছবিটি আয় করেছে মাত্র ৯৫ লাখ টাকা। প্রথম তিন দিনে ভালো আয় করলেও চতুর্থ দিনে ছবিটির আয় অনেক কমে যায়। এর পেছনে বড় কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে ‘বাঘি ৪’ ও ‘দ্য কনজ্যুরিং, লাস্ট রাইটস’-এর মতো বড় বাজেটের ছবির প্রতিযোগিতা। শুধু তাই নয় এও মনে করা হচ্ছে, বাংলার সাথারণ মানুষ স্বাদরে গ্রহণ করেননি ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ কে। দর্শকের মন কাড়তে না পারায় ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’-এর আয় হঠাৎ করে পড়ে গেছে।
শুক্রবার সিনেমাটি যাত্রা শুরু করে ১.৭৫ কোটি টাকার আয়ে। তবে সোমবারে বড় ধাক্কা খায় সিনেমাটি। রবিবার সিনেমাটি আয় করে ২.৭৫ কোটি টাকা, কিন্তু সোমবার আয় কমে দাঁড়ায় মাত্র ৯৫ লাখ টাকায়, অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ কম। সোমবার দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শো হয়েছে দিল্লি এনসিআর অঞ্চলে মোট ২১৬টি। কিন্তু এখানেও হল ভর্তি হওয়ার হার ছিল মাত্র ১৬ শতাংশ।
এখন প্রশ্ন উঠছে আর কতদিন রাজনীতিকরণের জন্য ব্যবহৃত হবে ভারতের বিনোদন জগৎ।ইতিহাসবিদরা দাবি করছে এই ধরনের সিনেমার মাধ্যমে ইতিহাসকে বিকৃত করা হচ্ছে। সিনেমাটি প্রকাশের পর থেকে বিতর্কের মুখে পড়েছে। সমাজের নানান স্তরের মানুষরা দাবি করছে ভারতীয় মুসলমানদের প্রতি বিদ্বেষ তৈরি করার জন্য সুপরিকল্পিত ভাবে তৈরি করা হয়েছে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’। ইতিহাসকে একপাক্ষিকভাবে উপস্থাপন করে, সিনেমাটি দর্শকদের বিভ্রান্ত করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সমাজে সম্প্রীতি রক্ষার স্বার্থে এমন প্রোপাগান্ডামূলক চলচ্চিত্র নির্মাণ বন্ধ হওয়া উচিত, এমনটাই দাবি করছে সুচিন্তক মানুষরা। সিনেমাটি দেখার পর সাধারণ মানুষের আরও দাবি করছে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকলেও, তা যেন দায়িত্ববোধের সাথে ব্যবহার হয়।


