তৃণমূলের দলীয় তহবিল নিয়ে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করলেন চাঁচলের তৃণমূল বিধায়ক ও প্রাক্তন আইপিএস অফিসার প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের মুখপাত্রও। তাঁর দাবি, দলের বিপুল পরিমাণ ‘কালো টাকা’ শুধু কেম্যান দ্বীপেই নয়, ভানুয়াতুসহ একাধিক বিদেশি দ্বীপে এবং বাংলাদেশেও পৌঁছেছে। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও সামনে আসেনি।
এর আগে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) কলকাতার একটি বিনিয়োগ সংস্থায় তল্লাশি চালিয়ে দাবি করেছিল, হাওয়ালার মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাঠানোর সূত্র মিলেছে। সেই তদন্তেই কেম্যান দ্বীপের নাম উঠে আসে।
প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, একটি বিদেশি সংস্থার জন্য প্রায় ১.৭৫ মিলিয়ন টাকার ঋণ নেওয়া হয়েছিল, যেখানে কোনও বন্ধক বা চুক্তি ছিল না। তিনি আরও দাবি করেন, এই অর্থে একটি হেলিকপ্টার কেনা হয় এবং ‘কেয়ারবেল অ্যাভিয়েশন অফ ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড’-এর নামও তদন্তে উঠে এসেছে।
এছাড়া তাঁর অভিযোগ, মালদহের কয়েকজন তৃণমূল নেতা বাংলাদেশের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিনিয়োগ করেছেন। প্রসূনের দাবি, যদি এই সব অভিযোগ ভিত্তিহীন হয়, তাহলে সেই সময় দলের আর্থিক দায়িত্বে থাকা নেতাদের প্রকাশ্যে ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত।
প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হলে এই আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে কারা জড়িত, তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।


