মধ্যপ্রদেশে ২০টি শিশুর মৃত্যুর সাথে প্রতক্ষ ভাবে যুক্ত এক ওষুধ কোম্পানির মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তামিলনাড়ুর চেন্নাই শহরের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাকে ধরা হয়। ধৃত ব্যক্তি স্রেসান ফার্মাসিউটিক্যালসের মালিক জি রঙ্গনাথন। মধ্যপ্রদেশ পুলিশের একটি বিশেষ দল তাকে গ্রেপ্তার করেছে।
এই মর্মান্তিক মৃত্যুর জন্য ইতিমধ্যে চিকিৎসক প্রবীণ সোনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই গ্রেপ্তারে ভারতীয় মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তারা বলেছে, মূল দোষ সরকার ও ওষুধ কোম্পানির নিয়ন্ত্রণহীনতার। সমগ্র দেশ জুড়ে বিজেপি শাসিত রাজ্য গুলিতে ইতিমধ্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা তলানিতে এসে ঠেকেছে। তবে সরকারি গাফিলতিতে প্রাণ গেলো ২০টি শিশুর। প্রশ্ন উঠে কেন অসাধু ওষুধ ব্যাবসায়ী এবং ভুয়ো চিকিৎসকদের বাড়বাড়ন্তকে জেনেশুনে আস্কারা দিচ্ছে বিজেপি সরকার?
রাজস্থানেও এমন ঘটনা ঘটেছে। সেখানে তিনটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রাজ্য সরকার একজন ড্রাগ কন্ট্রোলারকে বরখাস্ত করেছে এবং কেসন ফার্মার ওষুধ বিতরণ বন্ধ করেছে। খতিয়ে দেখা গেছে, ওই কোম্পানির ৪২টি ওষুধ নিম্নমানের। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শিশুদের জন্য কাশি ও সর্দির ওষুধ না দেওয়াই ভালো, বিশেষ করে দুই বছরের নিচের শিশুদের ক্ষেত্রে। সন্দেহভাজন কোল্ডরিফ সিরাপে ‘ডাইথিলিন গ্লাইকল’ নামে এক বিষাক্ত পদার্থ অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে।
এই ঘটনার পর পাঞ্জাব, কেরালা, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও ঝাড়খণ্ডে কোল্ডরিফ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ২০২২ সাল থেকে এই ধরনের বিষাক্ত সিরাপেই গাম্বিয়া, উজবেকিস্তান ও ক্যামেরুনে ১৪১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।


